বন্দরে ইটভাটার মাটির জন্য কাটা হচ্ছে ফসলি জমি

বন্দরে ইটভাটার মাটির জন্য কাটা হচ্ছে ফসলি জমি

 

মোঃ মনির হোসেন, বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :  নারায়ণগঞ্জের বন্দরে চলছে প্রভাবশালীদের মাটিকাটার মহাউৎসব, বাধা দিলে প্রাণনাশের হুমকি, যেন দেখার কেউ নাই।

৩ মে সোমবার সকাল ৮.৩০মিনিটে  সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ধামগড় ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কাজিপাড়া গ্রামের বিলে প্রায় ৯৫% জমি কেটে দীঘি বানিয়েছে মাটিকাটার উৎসবে মাতোয়ারা একটি প্রভাবশালী মহল ।

এ সময় সাংবাদিকদের দেখে একজন ভুক্তভোগী বলেন, আমাদের এই বিলে তাড়া যতদি থেকে ইটের ভাটা তৈরি করেছে ,তার পর থেকে  বিলের মাটি  জোরপূর্বক   কাটা শুরু করেছে।

মাটিকাটার সময় বাধাদিলে বিভিন্ন ভাবে জমির মালিকদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে ইট ভাটার মালিক এবং কারো কারো মাটি কেটে পুকুর বানানোর পর জমির মালিকদের জমি বিক্রি করতে বাধ্য করছে। এসময় জানা যায়, এই এলাকার মৃত্য মাহারউদ্দিনের ছেলে মো.আহসানউল্লাহ জমির মাটি কাটার পর সে মামলা করার কথা বল্লে একই এলাকার লোকজন ধরে তাকে মামলা না করার জন্য বলা হয় ও তার জমি কৌশলে' ক্রয় করে নেয়। জানাযায় গত কয়েকদিন পূর্বে এক রাতে ৪টি জমি  ধসে পড়ে প্রভাবশালীদের খননকৃত পুকুুরে।

একই গ্রামের মৃত আওয়ালের ছেলে মসজিদের খাদেম মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানায় তার ২১ শতাংশ জমি মধে ৮ শতাংশ জমির মাটি ইটব্যবসায়ীর কুপে ধসেপরে, সে সময় মামা ভাগিনা ইটভাটার মালিক আলমগীরের লোকজন সাংবাদিকদের বলে হুজুরের মাথা নষ্ট, সে পাগল, তার কথা আপনারা মাথায় নিয়েন না।
এসময় তারা আরো বলেন আমরা এখানে মাটি কাটি এটা প্রশাসনসহ সকল দপ্তরে ম্যানেজ করেই কাটি আপনারা পত্রিকায়  লিখে যা পারেন করেন।

এব্যপারে  মামা ভাগিনা ইটভাটার মালিক আলমগীরের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে সে সাংবাদিকদের বলেন আমি তার জমির মাটি পূনরায় ঠিক করে দিবো। 

অন্যদিকে ৭০৭ ইটভাটার মালিক পলাশ গতপরশু রবিবার মামা ভাগিনা ইটভাটার মালিক আলমগীরের লোকজনের সাথে মাটি কাটা নিয়ে বিলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাঘটিয়েছেন।

তার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তার ব্যবহিত মোবাইল ফোনটি বন্ধকরে দেন।
হাতাহতির ঘটনার সংবাদ পেয়ে  সাংবাদিক ও কামতাল তদন্ত্যকেন্দ্রের ইনচার্জ মো.সুজন হক, তার সংগীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থানে পৈছায় সেসময় ২টি বেকুগাড়ির চাবি নিয়ে কাজ বন্ধকরে দেয়।

এ ব্যপারে ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মাসুম আহম্মেদের সাথে সাংবাদিকরা  যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি কাটার অধিকার কারও নেই এ ব্যাপারে আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি, প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের সহযোগীতায় তাদেরকে আইনের আওয়াতায় এনে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি ,আমি সর্বদাই জনগণের স্বার্থে জনগণের সাথে আছি এবং থাকবো ।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে বন্দর উপজেলা প্রশাসন ( ইউ এন ও) শুক্লা সরকারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমাদের কাছে কোন ভুক্তবোগী অভিযোগ দেয় নাই ,আমি ২মে মাটিকার ঐখানে পুলিশ পাঠিয়েছি ও মাটি কাটা বন্ধ রেখেছি, তারা আবার মাটি কাটা শুরু করেছে বলে আমি জানতে পাই কিন্তু এ ব্যপারে আমার কাছে কোন ভুক্তভোগী অভিযোগ না করার কারণে আমি হস্তক্ষেপ নিতে পারছি না। তার পরও আমি নিজেথেকে তাদে কাজ বর্তমানে বন্ধকরে দিয়েছি।  কেউ যদি অভিযোগ করে আমার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে যত সহযোগীতা দরকার আমি তাকে করবো এবং তার নাম গোপন রাখবো। 

 

 বিআলো/শিলি